Německá společnost BASF, jeden z největších výrobců chemikálií, uvedla, že „nepřímé dopady“ amerických cel na dovoz mají vliv na poptávku a ziskové marže.
„Volatilita oznámení o clech a nepředvídatelnost dalších rozhodnutí vlády Spojených států, jakož i možná protiopatření obchodních partnerů způsobují vysokou míru nejistoty,“ uvedla společnost ve svém prohlášení k výsledkům za druhé čtvrtletí.
BASF dodala, že „existují nepřímé dopady, zejména v souvislosti s poptávkou po našich produktech a jejich cenách. To je způsobeno především zesíleným konkurenčním tlakem a rostoucí inflací. Výsledné dopady zatím nelze plně odhadnout.“
Tržby chemického gigantu za druhé čtvrtletí dosáhly 15,8 miliardy eur (18,2 miliardy dolarů), což představuje pokles o 2 % oproti stejnému období loňského roku.
Společnost rovněž oznámila meziroční pokles upraveného zisku o 9,4 % na 1,8 miliardy eur za druhé čtvrtletí.
যখন MACD সূচকটি জিরো লাইনের উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 157.40-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা মার্কিন ডলারের বাই পজিশন ওপেন করার জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলে এই পেয়ারের মূল্য 30 পিপস বৃদ্ধি পায়।
তবে, আজ এশীয় ট্রেডিং সেশনে ইয়েনের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে; ইয়েনের মূল্য 0.6% বৃদ্ধি পেয়ে USD/JPY-এর এক্সচেঞ্জ রেট 156.38-এর লেভেল নেমে এসেছে। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ কাজ করেছে। প্রথমত, প্রান্তিক শেষ হওয়ার প্রাক্কালে স্বাভাবিকভাবেই যে অর্থপ্রবাহ ঘটে, তা ইয়েনের ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রদান করেছে। দ্বিতীয়ত—এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে—ট্রেডাররা জাপানি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আরও কিছু সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পেয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা বিষয়ক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আতসুশি মিমুরা প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেছেন যে, জাপানের প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং মার্কিন কর্তৃপক্ষ ট্রেডারদের কাছে অত্যন্ত স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দিয়েছে—আর কোনোভাবেই ইয়েনের দরপতন গ্রহণযোগ্য নয়। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি আরও জানান যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁদের সাম্প্রতিক বৈঠকে ইয়েনের দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটটি ছিল বিরল: টোকিও এবং ওয়াশিংটন কার্যত ঐক্যবদ্ধ অবস্থান প্রদর্শন করছে এবং ট্রেডাররা তা স্পষ্টভাবে অনুভব করেছে।
চলতি প্রান্তিকে জাপানি ইয়েনের দর প্রায় 3.5% বৃদ্ধি পেয়েছে; এর পেছনে প্রধান কারণ হলো গত জুলাই মাসে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র কারেন্সি মার্কেটে যৌথ হস্তক্ষেপ চালায়—যা গত পনেরো বছরের মধ্যে এই ধরনের প্রথম পদক্ষেপ ছিল। এখন এর সাথে যুক্ত হয়েছে ব্যাংক অফ জাপানের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিভিন্ন প্রত্যাশা। চলতি মাসের শুরুর দিকে ফেডের সুদের হার 1.25%-এ উন্নীত হওয়ার পর, মার্কেটে জোর গুঞ্জন চলছে যে অক্টোবর নাগাদই হয়তো সুদের হার আরও বাড়ানো হতে পারে। নীতিমালার স্বাভাবিকীকরণ এবং প্রশান্ত মহাসাগরের উভয় প্রান্ত থেকেই ইয়েনের প্রতি রাজনৈতিক সমর্থন—সব মিলিয়ে এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যেখানে USD/JPY এক্সচেঞ্জ রেটে ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধির সুযোগ ক্রমশ সীমিত হয়ে আসছে। আমার মতে, মৌলিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির এই ধরনের প্রেক্ষাপট বজায় থাকা পর্যন্ত ইয়েনের সেলাররা অধিকতর সতর্কতার সাথে ট্রেডিং করবেন।
দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য 157.51-এর (চার্টে গাঢ় সবুজ লাইন) লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 157.16-এর (চার্টে সবুজ লাইন) এন্ট্রি পয়েন্টে পৌঁছালে আমি USD/JPY পেয়ারের লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এই পেয়ারের মূল্য প্রায় 157.51-এর লেভেলে পৌঁছালে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করব এবং বিপরীত দিকে শর্ট পজিশন ওপেন করব (এই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপস মুভমেন্টের প্রত্যাশা করছি)। USD/JPY পেয়ারের কারেকশন এবং উল্লেখযোগ্য পুলব্যাকের সময় এই পেয়ারের লং পজিশন ওপেন করা উচিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ারের লং পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি জিরো লাইনের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে সবেমাত্র উপরে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকা অবস্থায় মূল্য পরপর দুইবার 156.87-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ারের লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী দিকে নিয়ে যাবে। আমরা 157.16 এবং 157.51-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
পরিকল্পনা 1: আজ এই পেয়ারের মূল্য শুধুমাত্র 156.87-এর (চার্টে হালকা লাল লাইন) লেভেল অতিক্রম করে নিম্নমুখী হওয়ার পর USD/JPY পেয়ারের শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি, যা এই পেয়ারের দ্রুত দরপতনের দিকে নিয়ে যাবে। সেলারদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 156.47-এর লেভেল (গাঢ় লাল লাইন), যেখানে আমি শর্ট পজিশন ক্লোজ করতে যাচ্ছি এবং অবিলম্বে বিপরীত দিকে লং পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি, সেই লেভেল থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপস রিবাউন্ডের আশা করছি। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের সেলাররা সক্রিয় হতে পারে, তাঁদের শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে যেকোনো ইঙ্গিত দরকার। গুরুত্বপূর্ণ! এই পেয়ারের শর্ট পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি জিরো লাইনের নিচে রয়েছে এবং সবেমাত্র জিরো লাইনের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময় মূল্য পরপর দুইবার 157.16-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি USD/JPY পেয়ারের শর্ট পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 156.87 এবং 156.47-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
