L’Oreal nesplnil prognózy tržeb za druhé čtvrtletí a zaznamenal nárůst o 2,4 %, protože růst v Evropě zpomalil více, než se očekávalo.
Kosmetická skupina zaznamenala mírné oživení v USA a Číně, které pomohlo kompenzovat slabost v jiných regionech.
Společnost však podle agentury Reuters uvedla, že bude usilovat o výjimky z amerických cel, a varovala, že obchodní dohoda mezi EU a USA bude nákladná.
যখন MACD সূচকটি জিরো লাইনের বেশ উপরে উঠে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1353-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই কারণে, আমি ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করিনি।
প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা আস্থা সূচক নাটকীয়ভাবে কমে 81.9-এ নেমে আসে এবং এর ফলে মার্কেটে বেশ স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়েছে: মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটে এবং ইউরোর কিছুটা দরপতন ঘটে। এই ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে অনেক নেতিবাচক ছিল এবং বিষয়টি কেবল মূল সূচকের ফলাফলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বিষয়ক প্রত্যাশা বেড়ে 6.1%-এ দাঁড়িয়েছে এবং আগামী ১২ মাসের মধ্যে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা যেতে পারে বলে মনে করা উত্তরদাতাদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। শ্রমবাজার বিষয়ক JOLTS থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ফলাফলও পরিস্থিতিকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে: কর্মসংস্থানের সুযোগ বা 'জব ওপেনিং' প্রায় 7.1 মিলিয়নের কাছাকাছি অপরিবর্তিত ছিল, কর্মী নিয়োগ ও কর্মসংস্থান অবসানের হারে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার সংখ্যাও প্রায় 3.1 মিলিয়নের ঘরেই স্থির ছিল। এইরূপ ফলাফল শ্রমবাজারের স্থবিরতার ইঙ্গিত দেয়; ভোক্তা আস্থার এই ব্যাপক পতনের সাথে শ্রমবাজারের এই অবস্থাকে মিলিয়ে দেখলে মনে হয়, অর্থনীতি এখন বাড়তি প্রবৃদ্ধির পরিবর্তে বরং মন্থর প্রবৃদ্ধির দিকেই এগোচ্ছে।
আজ সকালে জার্মানি ও ফ্রান্স থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে অপেক্ষায়। বার্লিনে একই সাথে তিনটি সূচক প্রকাশিত হবে: খুচরা বিক্রয় সূচক, বেকারত্বের হার এবং ভোক্তা মূল্য সূচক। পাশাপাশি ফ্রান্সেও মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশিত হবে। আজকের দিনটি এমন একটি দিন যেদিন ইউরোর অভ্যন্তরীণ চালিকাশক্তিগুলোই মার্কিন ডলারের মুভমেন্ট নির্বিশেষে এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের পরবর্তী দিক নির্ধারণ করতে সক্ষম।
আজকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হলো মুদ্রাস্ফীতি। ইউরোজোনের ভোক্তা মূল্য সূচকে (CPI) জার্মানি ও ফ্রান্সের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে; এই দুই দেশেই যদি মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে থাকে, তবে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যেসব সদস্য অপেক্ষাকৃত নমনীয় মুদ্রানীতির পক্ষে রয়েছেন, তাদের অবস্থান বেশ জটিল হয়ে পড়বে। ট্রেডাররা সম্প্রতি ইসিবি-র ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে শুরু করেছে এবং মুদ্রাস্ফীতির সর্বশেষ প্রতিবেদন হয় এই ধারণাকে নিশ্চিত করবে, নতুবা ভুল প্রমাণ করবে। জার্মানির খুচরা বিক্রয় সূচক এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত পরিসংখ্যান দেশটির অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও শ্রমবাজারের পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা দেবে; এই তিনটি সূচকেই যদি শক্তিশালী ফলাফল দেখা যায়, তবে তা ইউরোর মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার যৌক্তিক ভিত্তি তৈরি করবে।
দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1364-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1344-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1364-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ারের লং পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি জিরো লাইনের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকা অবস্থায় মূল্য পরপর দুইবার 1.1329-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1344 এবং 1.1364-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1329-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। সেলারদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1309-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: শর্ট পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি জিরো লাইনের নিচে রয়েছে এবং এর নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকা অবস্থায় মূল্য পরপর দুইবার 1.1344-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1329 এবং 1.1309-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
